Skip to content Skip to sidebar Skip to footer

হোমমেড চার্জার লাইট তৈরী সহজেই

 

হোমমেড চার্জার লাইট তৈরী মাত্র ৫মিনিটেই
চিত্রঃ হোমমেড চার্জার লাইট

হোমমেড চার্জার লাইট বর্তমান সময়ে তৈরি করা খুবই সহজ। মাত্র 5 মিনিটে আপনি একটি চার্জার লাইট তৈরি করতে পারবেন। আপনার বাসায় ফেলে দেওয়া বিভিন্ন রকমের ইলেকট্রনিক্স যন্ত্রপাতি দিয়ে আপনি খুব সহজেই হোমমেড চার্জার লাইট তৈরি করে নিতে পারেন।


এক্ষেত্রে আপনার 20 থেকে 30 টাকা খরচ হলে আপনি একটি শক্তিশালী হোমমেড চার্জার লাইট তৈরি করতে পারবেন। আমরা অনেকেই অনেক ইলেকট্রনিক্স যন্ত্রপাতি বিশেষ করে ব্যাটারি লাইট সহ অনেক কিছুই ফেলে দেই।


আধুনিক টেকনোলজির হোমমেড চার্জার লাইট

আপনি কি কখনো ভেবে দেখেছেন এগুলো রিসাইক্লিং করে আবার নতুন করে আপনি ব্যবহার করতে পারবেন। ফলে আপনার নতুন নতুন কিছু অভিজ্ঞতা হবে এবং পুরনো জিনিস নতুন ভাবে ব্যবহার করে অর্থনৈতিকভাবে অনেক উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব হবে।


পৃথিবীর অনেক দেশেই পুরনো ইলেকট্রনিক্স গুলো দিয়ে রিসাইক্লিং করে তারা নতুন ভাবে নতুন কিছু তৈরি করে। ফলে পুরনো জিনিস নতুন ভাবে ব্যবহারে ইলেকট্রনিক্স খরচ অনেক কমে আসে।


নির্দেশনাঃ চার্জার লাইট ডায়াগ্রাম চিত্র নিচে দেয়া আছে


যেমন আপনার বাসায় একটি পুরনো ব্যাটারি পড়ে রয়েছে এখন আপনি চাইলে 20 থেকে 30 টাকা খরচ করে একটি ভালো চার্জার লাইট তৈরি করে নিতে পারেন খুব সহজেই ।আপনার বেশী কিছুর প্রয়োজন পড়বে না যেগুলো প্রয়োজন হবে সেগুলো আপনার আশেপাশেই আপনি পেয়ে যাবেন।


অনেক ইলেকট্রনিক্স এক্সপার্ট পুরনো ব্যাটারি দিয়ে চার্জার লাইট তৈরি করে বিক্রি করে থাকে কিংবা এগুলোর বিজনেস করে। আপনি যদি ইলেকট্রনিক্স এর কিছু নলেজ জানতে পারেন তাহলে এসকল চার্জিং লাইট হতে শুরু করে বিভিন্ন কিছু আপনি খুব সহজেই তৈরি করে নিতে পারবেন।


আরো পড়ুনঃ

>ব্যাটারি চার্জিং সার্কিট বা মডিউল তৈরী - খরচ ২০ টাকা

>তারযুক্ত হেডফোন থেকে ব্লুটুথ হেডফোন তৈরি পদ্ধতি- খরচ ১২০ টাকা


চার্জার লাইট তৈরি করতে কি কি প্রয়োজন জানতে পোস্ট ভালো করে পারবেন। মাত্র পাঁচ মিনিটেই কিভাবে একটি হোমমেড চার্জার লাইট তৈরি করবেন সেটা পড়ুন এবং কমেন্ট করে মতামত জানাবেন।


তাছাড়া আমি যে সকল পদ্ধতি বলে থাকি এগুলো সম্পূর্ণ হোমমেড। এগুলো তৈরি করতে আপনার বাহিরে যাওয়ার প্রয়োজন নেই সব কল ইলেকট্রনিক্স এগুলো আপনি ঘরেই পেয়ে যাবেন এবং ঘরে বসেই আপনি এগুলো তৈরি করতে পারবেন। আপনার কোন ইলেকট্রনিক্স এক্সপার্টদের কাছে যাওয়ার প্রয়োজন পড়বে না।


হোমমেড চার্জার লাইট বানানোর প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি

>3.7V ব্যাটারি

>3.7V লাইট | চার্জিং লাইট

>ডায়োড

>1k রেজিস্টেন্স

>চার্জিং সকেট

>মিনি সুইচ

3.7V ব্যাটারি যাচাইঃ আমরা হোমমেড চার্জার লাইট তৈরি করার ক্ষেত্রে 3.7 ভোল্ট ব্যাটারি নিব। এছাড়াও 3.6 ভোল্ট ব্যাটারি আপনি নিতে পারেন কোন সমস্যা নেই। 3.7 ভোল্ট ব্যাটারি সাধারণত ভালো হয়ে থাকে।


বিভিন্ন মোবাইলের ব্যাটারি কিংবা অন্য যে কোন ব্যাটারি হতে পারে তবে সেটা আপনাকে আগে চেক করে নিতে হবে। তাছাড়া ব্যাটারির ওপরে ব্যাটারি ডিটেইলস দেয়া থাকে যদি ডিটেলস আপনি খুঁজে না পান সে ক্ষেত্রে আপনি যে কোন মিটার দিয়ে চেক করে নিতে পারবেন।


এরপরে ব্যাটারীর পজেটিভ এবং নেগেটিভ দিক শনাক্ত করে নিন ব্যাটারীতে যদি সনাক্তকরণ চিহ্ন না থাকে সেক্ষেত্রে আপনি মিটার দিয়ে মেপে শনাক্ত করে রাখুন। যদি আপনার কাছে মিটার না থাকে তাহলে আপনি একটি ছোট লাইট নিয়ে আপনি চেকিং করে নিতে পারেন।



চার্জিং লাইটঃ হোমমেড চার্জার লাইট তৈরি করার জন্য আপনি পরিমানমতো 3.7 ভোল্ট এর লাইট নিতে পারবেন। আপনার ব্যাটারি ক্যাপাসিটি অনুযায়ী আপনি লাইট দিবেন।


এটা আপনার সম্পূর্ণ নিজের ইচ্ছা অনুযায়ী নিতে পারেন এছাড়াও একটি চার্জিং লাইট ইন্টিগেটার লিইট নিবেন। যদি সেটা না থাকে তাহলে আপনি যেকোনো একটি লাইট নিলেই হবে।


এটা শুধুমাত্র যখন চার্জ করবেন তখন এটা জ্বলে উঠে আপনাকে নির্দেশনা দেবে যে চার্জিং হচ্ছে। শুধু চার্জিং হচ্ছে কিনা বোঝার জন্য ইন্টারনেটের ব্যবহার করা হয়ে থাকে।


ডায়োডঃ একটি হোমমেড চার্জার লাইট তৈরি করার জন্য আমাদের একটি ডায়েট এর প্রয়োজন পড়বে। আপনি যেকোন ডায়োড নিতে পারেন। ডয়োড সাধারণত দুটি মডেলের হয়ে থাকে 207 এবং 4007 হয়ে থাকে।


যেকোনো একটি আপনি ব্যবহার করতে পারেন। এটি ব্যবহারের কারণ হলো এটি ব্যবহারে আপনার কোন রকম ওভারলোডেড শর্টসার্কিট বা চার্জিং সিস্টেম এর কোন রকম সমস্যা হবে না।  সাধারণত ডায়োড আপনার বাসায় বিভিন্ন পরিত্যক্ত ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস থেকে খুঁজে দিতে পারেন ।


রেজিস্টেন্সঃ  হোমমেড চার্জার লাইট তৈরীতে আমাদের একটি অথবা দুটি রেজিস্ট্যান্স প্রয়োজন পড়বে। অবশ্যই রেজিস্ট্যান্স ব্যবহার করবেন।


রেজিস্টেন্স সাধারণত কালো লাল বাদামী এবং অন্য যেকোনো একটি কালারের হয়ে থাকে। এটি আপনি আপনার ঘরের আশেপাশে বা কোনো ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি থেকে খুলে নিতে পারবেন।


চার্জিং সকেট ও সুইচঃ চার্জিং সকেট এবং ব্যবহারে আমাদের আরো বেশি সুন্দর হবে। চার্জিং সকেট মূলত ব্যাটারি চার্জ করার জন্য এবং সুইচ লাইট জ্বালানোর জন্য ব্যবহার করবো।




হোমমেড চার্জার লাইট বানানোর পদ্ধতি

হোমমেড চার্জার লাইট তৈরীর পুরো কাজটি করার জন্য আপনার একটি সোল্ডারিং আয়রন কিংবা

যেটাকে আমরা তাতাল নামে চিনে থাকি সেটার প্রয়োজন পড়বে।



আপনি যদি ইলেকট্রনিক্স এর কাজের প্রতি আগ্রহী থাকেন তাহলে অবশ্যই আপনার কাছে এগুলি থাকার কথা।

কেননা ইলেকট্রনিক্স নিয়ে যারা বেশি ঘাটাঘাটি করে তাদের কাছে এগুলো অবশ্যই থাকে।


 প্রথমে প্রথমে আপনি একটি চার্জিং সকেট নিবেন চার্জিং সকেট এর পজিটিভ নেগেটিভ দিক আগে

শনাক্ত করে নিন । এরপরে ডায়োড এর নেগেটিভ সাইট চার্জিং সকেট এর পজিটিভ সাইট এর সাথে সংযুক্ত

করে দিন।




নেগেটিভ পজেটিভ সংযুক্ত করে সোল্ডারিং আয়রন দিয়ে লাগিয়ে মজবুত করে নিন। এরপরে পজিটিভ অংশ

থাকবে সেটা আপনি ব্যাটারির পজেটিভ অংশের সাথে লাগিয়ে দিন ।



আপনি প্রথমে ব্যাটারীর পজেটিভ নেগেটিভ ঠিক করে নিয়ে মার্ক করে রাখতে পারেন সেক্ষেত্রে

আপনার সুবিধা হবে না। এরপরে ডায়োড থেকে যেটা চার্জিং সকেট লাগিয়েছিলেন তার মধ্য দিয়ে একটি

রেজিস্ট্যান্স যুক্ত করুন।



আপনার পজেটিভ অংশের কাজ শেষ এখন নেগেটিভ অংশের কাজ করতে হবে। ব্যাটারির নেগেটিভ সাইট আপনি

চার্জিং ইন্ডিকেটর লাইট এর নেগেটিভ এর সাথে সংযুক্ত করুন। চার্জিং ইন্ডিকেটর লাইট পজিটিভ

রয়েছে সেটা আপনি রেজিস্টেন্স এর সাথে সংযোগ করে দিন।




এখন চার্জিং লাইট এর নেগেটিভ আপনি সরাসরি ব্যাটারীর নেগেটিভ এর সাথে সংযুক্ত করে দিতে পারেন।

অর্থাৎ ব্যাটারীর নেগেটিভ দিক প্রথমে চার্জিং লাইট এর নেগেটিভ এর সাথে সংযুক্ত হয়ে তারপরে সরাসরি চার্জিং

সকেট এর অংশের সাথে যুক্ত হয়েছে।



অন্যদিকে ব্যাটারীর পজেটিভ দিক এর সাথে ডায়োড যুক্ত হয় একটি রেজিস্টেন্স এর সংযোগ দিয়ে সরাসরি

চার্জিং সকেট এর সাথে যুক্ত হয়েছে। আমাদের এখন ব্যাটারি চার্জ করার জন্য সার্কিট তৈরি করা হয়েছে।



এখন লাইট লাগানোর লাইট লাগানোর জন্য আপনি আগে লাইট এর পজিটিভ নেগেটিভ দিক সনাক্ত

করুন এবং প্রয়োজনে তার লাগিয়ে নিন। আপনার যদি কয়েকটি এলইডি বাল্ব থাকে সে ক্ষেত্রে

প্যারালাল পদ্ধতিতে সংযোগ করে নিন।


এরপরে লাইটে নেগেটিভ দিক ব্যাটারীর নেগেটিভ এর সাথে সংযুক্ত করে দিন। পরবর্তীতে লাইটের

পজিটিভ দিক সাথে একটি সুইচ সংযুক্ত করুন। সুইচের অংশটি আপনি পজেটিভ দিক এর

সাথে সংযুক্ত করে দিন।



অর্থাৎ লাইটের পজেটিভ এর মধ্যখানে আপনি সুইচ স্থাপন করুন। তবে চাইলে আপনি একটি রেজিস্টেন্স

ব্যবহার করতে পারেন। রেজিস্টেন্স ব্যবহার করলে আপনি এক্সট্রা সুবিধা পাবেন।






এর পরে আপনি

সকল সংযুক্ত গুলি ভালো করে তাতাল বা সোল্ডারিং আয়রন দিয়ে সোল্ডারিং করে নিন এবং চার্জিং

সকেট চার্জার লাগিয়ে টেস্ট করুন যদি ইন্টিগ্রেশন চার্জিং হচ্ছে।



চার্জার লাইট তৈরি করা হয়ে গেলে আপনি সমস্ত শব্দ গুলো ভালো করে লাগানো করা হয়েছে কিনা

চেক আপ করে নিন। এর পরে আপনি একটি সংযোগের সাথে অন্য সংযোগ যাতে করে না বেজে যায়

সেক্ষেত্রে আপনি বিভিন্ন রকমের টেপ বা হট গ্লু গান গুলো ব্যবহার করতে পারেন।





চার্জার লাইট ডায়াগ্রাম
চিত্রঃ  চার্জার লাইট ডায়াগ্রাম


এছাড়াও আপনি আরও অনেক পদ্ধতিতে হোমমেড চার্জার

লাইট তৈরি করতে পারেন। তবে এই পদ্ধতিটি খুবই সোজা আপনি মাত্র 5 মিনিটে খুব সহজে তৈরি

করে নিতে পারবেন। কোনরকম সমস্যা হলে আমাদের চিত্রটির চার্জার লাইট ডায়াগ্রাম দেখে আপনি কাজ করতে পারেন।